গুরুবাদ বা অবতারবাদ বা অতিমানববাদ বা মাওলাতন্ত্রঃ-

লালন সঙ্গীতে সমধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে পরিশুদ্ধ সত্তা সম্যক একজন গুরু তথা আত্মিক শিক্ষাদীক্ষা দানে সক্ষম কামেল মোর্শেদের আছে আশ্রয় গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার উপর। কেবল বই পত্র পড়ে বা গান, বাজনা, বক্তৃতা শুনে একজন মানুষ কখনও সম্যক জ্ঞানী হতে পারে না।

আধ্যাত্মবাদ বা সুফিবাদ বা অনির্বাণতন্ত্র।

মানব মনের পরিশুদ্ধি অর্জনের জন্যই লালন দর্শনের অবতারণা। এ বিষয়টি যেমআ কোরানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়াছে তেমনি লালনেও আমরা দেখি, চিত্তের কলুষ কালেমা মোচনের জন্য নানাভাবে মানুষকে তাগিদ দোকান হচ্ছে।অন্যদিকে আত্মদর্শনের মাধ্যমে মানসত্তায় নিহিত আল্লাহিয়াত বা ঈশ্বরত্ব কোন ধারায় বিকশিত হতে পারে সেই কথাই সাঁইজি লালন নানা কৌশল আমাদের সামনে তুলে ধরেন।
লালন দর্শন

কে এই লালন সাঁইজি ?

" লালন " তিন অক্ষরের রূপক এক নাম। এ ধ্বনি বা অক্ষর বিন্যাসের গভীরে নিহিত আছে গূঢ়তম অর্থ - সংকেত।"লা" মানে না The No. মহাশূন্য আধ্যাত্মিকতার শেষ স্তর।